হার্ট সুস্থ রাখার উপায় এবং হার্ট ভালো রাখার সহজ উপায়,

প্রিয় পাঠক আসসালামু আলাইকুম,বিশ্বের এক নম্বর মরণব্যাধি হৃদরোগ, কোনো রকম পূর্বাভাস ছাড়াই হৃদরোগ যেকোনো সময় কেড়ে নেয় জীবন। সারাবিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি লোক মৃত্যুবরণ করে। তার বেশির ভাগ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত। একবার হার্ট এটাকে আক্রান্ত হলে প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আজকে আমরা এই আর্টিকেলে পড়বো হার্ট সুস্থ রাখার কয়েকটি উপায়.....








পোস্টের সূচিপত্রঃ




  • হার্ট সুস্থ রাখার কয়েকটি উপায়ঃ
  • হার্ট সুস্থ রাখার উপায় জেনে নিনঃ
  • হার্ট অ্যাটাক থেকে রক্ষা পেতে কি করবেনঃ
  • হার্ট সুস্থ রাখতে কি খাবেন এবং কি খাবেনঃ
  • শেষ কথাঃ







হার্ট সুস্থ রাখার কয়েকটি উপায়ঃ


সমগ্র মানুষের মধ্যে মস্তিষ্ক এবং হৃদয় পিছু বা হার্টের বিষয়ের উপর চিন্তা ভাবনা বেশি হয়ে থাকে। শরীরের এই অঙ্গ গুলির মধ্যে যেকোনো একটি অঙ্গ অকেজ হয়ে পড়লে মানুষের জীবন খুব বিপন্ন হয়ে পরে । নানান ধরনের গবেষণায় রোগী বিবেচনায় মধ্য দিয়ে হাটকে সুস্থ রাখা পদ্ধতি পরিকল্পনা করা চলছে। তবে গবেষণার মাধ্যমে শত শত বছর ধরে অনেক উপায় জানা গেছে এর মধ্যে মেনোজ হেলথ ডট কম প্রায় বেশি কিছু উপায় এর উপর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।      

  1. দূষিত বায়ুকে এড়িয়ে চলা উচিতঃ    এখনকার সময়ে তুলনামূলকভাবে বলা যায়, বিশেষ দূষিত বায়ুর পরিমাণ আগের সময় তুলনায় বেড়েছে। আগের সময়ে তুলনায় আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতকালে সকালে বাতাসে দূষিত পদার্থ বেশি পরিমাণে থাকে, সেজন্যই বলা হয় দূষিত বায়ুকে এড়িয়ে চলার জন্য মার্কস ব্যবহার করা খুবই জরুরী   
  2. সিম ও বরবটির উপকারিতাঃ-কলায় অথবা আলো এই ধরনের শস্যজাতীয় খাবারের চেয়ে গুটিযুক্ত ফসল যেমন-সিম ও বরবটির মত বিভিন্ন ধরনের ফসল খেয়ে রাখা প্রয়োজন প্রত্যেক মানুষের ক্ষেত্রে রয়েছে কারণ, গুটিযুক্ত ফসল রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
  3. মুঠোর ব্যায়াম-এর উপকারিতাঃ-এই মুঠোর ব্যায়ামের মাধ্যমে মানর দেহের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাস্থ্যকর্ত হয়। এমনকি একটানা এক মাস ধরে এই মুঠো সঞ্চালন ও প্রশাসন ব্যায়াম করে থাকলে রক্তচাপ কমে থাকে। তবে এই প্রসঙ্গে হাইপারটেশন জানালা জানিয়েছে. এই মোটর ব্যায়ামের মাধ্যমে রক্তচাপের সমস্যায় বক্ষ রোগী তার শরীরের রক্তের উদ্যচাপ প্রায় ১০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারি।
  4. ডিম খাওয়া প্রয়োজনীয়তাঃ-ডিম খেলে মানুষের শরীরে অনেক উপকার হয় কিন্তু কখনোই কোন কিছু খাবার একসঙ্গে অতিরিক্ত পরিমাণ খাওয়া উচিত নয়, কারণ একসঙ্গে অতিরিক্ত পরিমাণ ভিটামিন ফলে মানুষের শরীরে কোন রকম ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন বেশি পরিমাণ ডিম খাওয়া ফলে শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায়।
  5. নিয়মিত ব্যায়ামঃ-প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করা হলো যে কোন মানুষের হাটের সমস্যার ক্ষেত্রে খুবই উপকারী একটা দিক। প্রত্যেক হার্টের রোগীদের জন্য চিকিৎসা কর উপদেশ দিয়ে থাকে , প্রত্যেক দিন নিয়ম করে কমপক্ষে তিন কিলোমিটার করে পথ যদি জোরে হাটা যায়, অথবা দৌড়ানো যায় তাহলে হার্ট সুস্থ থাকা সম্ভব না থাকে। তবে দৌড়ানোর আগে এবং শেষে হাট রেটের সংখ্যা লিপিব বন্ধ করা অবশ্যই নিয়েছেন চিকিৎসা করা।
  6. অবসাদ থেকে দূরে থাকুনঃ-বিশেষ করে হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে অবসাদ অর্থাৎ ক্রান্তির অনুভবকে দূরে করা উচিত। এজন্য কাঁদতে সময় মাঝে মধ্যে নিজের কোন পছন্দের কাজের উপর গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সুইজারল্যান্ডের এক গবেষণা জানিয়েছে অবসাদ দূর করার মাধ্যমে হৃদয় যন্ত্রের সংকট থেকে মানুষকে প্রায় 27 শতাংশ রক্ষা করতে সক্ষম হয়।
  7. নিরব পরিবেশে থাকুনঃ-হার্টের রোগীদের সমস্যার সঙ্গে যে কোন উৎসব ডেসিবেলের শব্দে যথেষ্ট সংযোগ হয়েছে । হারেস সমস্যার দিক থেকে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে দূরত্বে প্রায় প্রতি 10 ডেসিমেল শব্দের মাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রায় রোগীদের হার্ট অ্যাটাকের পরিমাণও প্রায় ১২% হারে বৃদ্ধির পাওয়া সম্ভাবনা থাকে।
  8. মসলা হিসেবে দারুচিনি ব্যবহারঃ-মানুষের শরীরে হার্টের সমস্যা পক্ষে দারুচিনি ব্যবহার অতুলনীয়। দারুচিনির গুণাগুণ হৃৎপিণ্ডকে সতেজ করে তুলে যথেষ্ট সাহায্য করে। সারাদিনে দুই বেলা হয় তবে মানুষের শরীরে রক্তের শতকরা পরিমাণ কমতে থাকে। ফলে হার্ট সুস্থ থাকার সম্ভাবনা থাকে।








হার্ট সুস্থ রাখার উপায় জেনে নিনঃ


সুস্থ, স্বাভাবিক ও আনন্দপূর্ণ জীবনের জন্য দরকার একটি সুস্থ হৃদযন্ত্র। কিন্তু এ যন্ত্রটিকে সুস্থ রাখাটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আধুনিক বিশ্বে জীবনযাত্রার নানামুখী পরিবর্তন, কাজের পরিবেশ সব কিছুই যেন প্রতিনিয়ত হৃদযন্ত্রকে প্রতিকূলতার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। তার পরও হৃদযন্ত্র ভাল রাখতেই হবে। আর তাই সুশৃঙ্খল জীবন যাপনের কোনো বিকল্প নেই। নিম্নে মোটাদাগে হার্ট সুস্থ রাখার ১০ টি টিপস দেওয়া হলো-


* ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: ডায়াবেটিস রোগীদের এ্যাথারোস্কে¬রোসিস বেশি হয়। ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। তাই রোগীদের অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।


* উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: জীবন যাত্রায় পরিবর্তন এনে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত। যত আগে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তত আগে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জটিল রোগ বা প্রতিক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়া যায়।


* ধূমপান বর্জন: হৃদযন্ত্রের অন্যতম প্রধান শত্রু ধূমপান। ধুমপায়ীদের শরীরে তামাকের নানা রকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় উচ্চ রক্তচাপসহ ধমনী, শিরার নানা রকম রোগ ও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। ধূমপান অবশ্যই বর্জনীয়। ধূমপায়ীর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন। তামাক পাতা, জর্র্দা, গুল লাগানো ইত্যাদিও পরিহার করতে হবে।


* অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা হ্রাস: যথেষ্ট পরিমাণে ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম না করলে শরীরে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়, ফলে অধিক ওজন সম্পন্ন লোকদের উচ্চ রক্তচাপসহ ধমনী, শিরার নানা রকম রোগ ও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। খাওয়া-দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ও নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।


* ভারসাম্যপূর্ণ ওজন: ওষুধ খেয়ে ওজন কমানো বিপজ্জনক। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওজন কমানোর ওষুধ না খাওয়াই ভালো। স্থূলতায় হৃদরোগ থেকে শুরু করে নানা সমস্যা হতে পারে। ফলে ভারসাম্যপূর্ণ ও সঠিক ওজন বজায় রাখতে মনোযোগী হতে হবে।


* নিয়মিত ব্যায়াম: হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার জন্য ব্যায়ামের মতো কার্যকর অন্য কোনো পথ নেই। সকাল-সন্ধ্যা হাঁটা চলা, সম্ভব হলে দৌড়ানো, হালকা ব্যায়াম, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার ইত্যাদি। জিমে যেতে হবে এমন নয়। ঘরেই ব্যয়াম করা যায়। তাও না করতে পারলে প্রতিদিন অবশ্যই হাঁটতে হবে।


* অতিরিক্ত লবণ নিয়ন্ত্রণ : খাবার লবণে সোডিয়াম থাকে, যা রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের আয়তন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপও বেড়ে যায়, ফলে হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। তরকারিতে প্রয়োজনীয় লবণের বাইরে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে। 
অনেকেই খাবারের সঙ্গে কাঁচা লবণ খান। এটা অবশ্যই বর্জন করতে হবে। বেশি লবণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এ থেকে হৃদযন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন : রক্তে উচ্চ চর্বি, অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হলে রক্তনালীর দেয়াল মোটা ও শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে এবং হৃদরোগ দেখা দিতে পারে।

কম চর্বি ও কম কোলেষ্টেরল যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন খাশি বা গরুর গোসত, কলিজা, মগজ, গিলা, গুর্দা, কম খেতে হবে। কম তেলে রান্না করা খাবার এবং ননী তোলা দুধ, অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন সয়াবিন, ক্যানোলা, ভুট্টার তেল অথবা সূর্য্যমুখীর তেল খাওয়া যাবে।

* মানসিক ও শারীরিক চাপ সামলাতে হবে : অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি এবং মানসিক চাপের কারণেও রক্তচাপ ও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। নিয়মিত বিশ্রাম, সময় মতো ঘুমানো, শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকে বিশ্রাম দিতে হবে।

নিজের শখের কাজ করা, নিজ ধর্মের চর্চা করা ইত্যাদির মাধ্যমে মানসিক শান্তি বেশি হবে। অতিরিক্ত মানাসিক চাপ স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ঙ্কর। এজন্য খেলাধুলা, আড্ডা, বইপড়া, যোগব্যায়াম ও ধ্যান হতে পারে চাপ মুক্তির উত্তম দাওয়াই। প্রতি রাতে ভাল ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।

* মদ্যপান পরিহার : অতিরিক্ত মদ্যপান পরিহার করতে হবে। বেশি এ্যালকোহল গ্রহণ মানে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়া। এতে হৃদস্পন্দনেও প্রভাব পড়ে। সুস্বাস্থ্য ও সবল হৃদযন্ত্রের জন্য ধূমপানের মতো মদ্যপানও ছাড়তে হবে।

সুন্দর জীবনের জন্য সুস্থতা প্রয়োজন। সুস্থতার জন্য সুস্থ হার্টের বিকল্প নেই। আমরা যদি কিছু নিয়ম মেনে চলি তাহলে কঠিন অসুখ হৃদরোগ থেকে অনেকাংশে মুক্তি পেতে পারি।





হার্ট অ্যাটাক থেকে রক্ষা পেতে কি করবেনঃ







নিয়মিত শরীরে পরীক্ষা করে রাখাঃ
শরীরের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে হলে নিয়মিত শরীরের রক্তচাপ, শর্করা এবং কোলেস্টেরলের মাথা পরীক্ষা করে রাখা দরকার।

শ্বাস প্রস্বাসের ব্যায়াম করা দরকারঃ
শ্বাস প্রশাসনের ব্যায়াম নিয়ম মানে নিজের ইচ্ছামত গতিতে শ্বাস নেয়াকে বুঝায় না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন শ্বাস-প্রশাসের ব্যায়াম করা হয়। শরীরের পক্ষে কার্যকরী তবে উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়, প্রথমে ৩০ সেকেন্ড ছয় টি পূর্ণাঙ্গ শ্বাস-প্রসার সম্পন্ন করতে হবে। তারপর সময়ের পরিমাণ একটু কমাতে হবে এইভাবে এই ব্যায়ামটি রুটির মতো করে থাকলে শরীরে হৃদয় সংখ্যক কুশন সংক্রান্ত চাপ কমতে থাকে।



মুঠোর ব্যায়া ঃ 

মুঠো সঞ্চালন-প্রসারণ শরীরের পক্ষে খুব কার্যকরী। মানুষের শরীরে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। হাইপারটেশন জানান এর মতে এই ব্যায়ামের মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষ তার শরীরে রক্তে উচ্চতা প্রায় ১০% কমে আনতে সক্ষম করে। থাকে

দূষিত বায়ু এড়িয়ে চলাঃ 
এখনকার দিনে বিশেষ মানবাহন , কলকারখানা ইত্যাদি সংখ্যা পরিমাণে প্রচুর বেড়েছে। ফলে বাউন গুলো দূষিত পদার্থের দীর্ঘতাও বেড়েছে। আবহাওয়া বিদদের মতে, শীতকালে সকালে বাতাসে দূষিত পদার্থের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। সাধারণ বাতাসে থাকা প্রচুর পরিমাণে ধাতব ও পদার্থ নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে। সঙ্গে দমনে প্রাচীর কে পুরো করে রক্ত সঞ্চালনের দাদা সৃষ্টি করে। তবে এই ধরনের নানান সমস্যার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মুখে মার্কস ব্যবহার করা অবশ্যই দরকার।



হার্ট সুস্থ রাখতে কি খাবেন এবং কি খাবেনঃ




হার্টের অসুখের কারণে হতে পারে মৃত্যুও। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই আশঙ্কা বেশি। এক্ষেত্রে বয়সও খুব একটা বিষয় নয়। তাই হার্ট ভালো রাখতে মেনে চলতে হবে কিছু উপায়। 


রসুন : শরীরের কোলেস্টেরল দূর করে রসুন। খালি পেটে এক কোয়া রসুন হার্টের পক্ষে দারুণ উপকারী।

আমন্ড : মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ আমন্ড হার্টের জন্য উপকারী। পানিতে ভিজিয়ে ৬-৭টি আমন্ড রোজ খান। খালি পেটে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার।

তৈলাক্ত মাছ : তেলওয়ালা মাছেও ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটিও হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকরী।

হলুদ: কাঁচা হলুদের উপকারিতার কথা আমরা সবাই জানি। এটি হার্টের জন্যও বেশ উপকারী। তাই হার্ট ভালো রাখতে কাঁচা হলুদ খান।

কলা : রক্তচাপ কমাতে কলা কাজে লাগে। এতে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত কলা খান।

ওটস : ওটস বেশ স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। হাই ফাইবার থাকে ওটসে। এটি হার্টের উপকারে লাগে। কোলেস্টেরল কমাতেও কাজে আসে।

সবুজ শাক-সবজি : হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে ভিটামিন কে খুবই প্রয়োজন। তার সেরা উপায় সবুজ শাক-সবজি খাওয়া। এতে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ব্যায়াম : শারীরিক কসরত রোজ করা প্রয়োজন। অন্তত সিঁড়ি ভাঙা, সাঁতার, হাঁটা খুবই প্রয়োজন। নয়তো হার্ট ভালো রাখতে পারবেন না।





শেষ কথাঃ

প্রিয় পাঠক আজকের এই আর্টিকেলে আমরা লিখেছি রাখার কয়েকটি উপায় হার্ড সুস্থ রাখার কিছু খাবার হার্ট অ্যাটাক থেকে রক্ষা পেতে কি করনীয়,, যদি আর্টিকেলটি আমাদের ভালো লাগে তাহলে আমাদের পাশে থাকুন ভিজিট করুন ’’ধন্যবাদ’’


















Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url