গর্ভবতী মায়েদের খাদ্য তালিকা কি করনীয় টিপস??

 আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা  আর্টিকেলে  পড়েবো.   গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা-প্রেগন্যান্সি খাদ্য তালিকা নিয়েই আজকের আলোচনা। প্রতিটি শিশুর সবথেকে আশ্রয়স্থলের নাম হচ্ছে তার মা। গর্ভবতী মায়েদের কি খাবার. ওগর্ভস্তাূয় কি খাবেন। কি খাওয়া উচিত, গর্ভকালীন মায়ের পরিচর্যা,, গরবস্থায় কি সতর্কতা গড়বস্তা পাপ হলে গেলে কি করবেন, কি খাওয়া উচিত নয়, আমরা এই আর্টিকেলে আজকে পড়বো. তাই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন।








পোস্টের সূচিপত্রঃ

  • গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা বিস্তারিতঃ
  • গর্ভাবস্থায় কি খাবেনঃ
  • কি খাওয়া উচিত নয়ঃ
  • গর্ভাবস্থায় পা ফুলে গেলে কি করবেনঃ
  • গর্ভাবস্থায় কিছু সর্তকতাঃ
  • গর্ভাবস্থায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে কি করবেনঃ
  • শেষ কথাঃ

  • আরো পড়ুনঃ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কি কি করবেন



    গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা বিস্তারিতঃ

    প্রেগনেন্সি পরীক্ষায় যখন ফলাফল পজেটিভ পাওয়া যাবে, তখন গর্ভধারণের দুই সপ্তাহের বেশি সময়কাল অতিবাহিত করবেন। এ সময় আপনি স্বাস্থ্যকর, পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া শুরু করুন এবং জাঙ্ক ফুড, তামাক বা অ্যালকোহল, ড্রাগস থেকে বিরত থাকতে হবে। গর্ভধারণের শুরু থেকেই খাদ্য তালিকায় অধিক পরিমাণে ফল ও সবজি রাখা প্রয়োজন। 


    ১. ডিম ও মুরগি

    ডিমে প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি২, বি৬, বি১২, ডি, ই, কে এবং ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও জিংক রয়েছে। হাঁস মুরগি প্রোটিনের চমৎকার উৎস। পাশাপাশি ভিটামিন বি, জিংক ও আয়রন ও থাকে। ১ মাসের গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকায় ডিম ও মুরগী অবশ্যই রাখা উচিত।


    ২. মাছ

    মাছে কম চর্বিযুক্ত এবং উচ্চমানের প্রোটিন রয়েছে। এটি ওমেগা – ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন বি২, ডি, ই এবং পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিংক, আয়োডিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের একটি সহজলভ্য ও উৎকৃষ্ট উৎস।


    ৩. শাকসবজি

    গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকায় ব্রোকলি, পালংশাক, গাজর, কুমড়া, মিষ্টি আলু, টমেটো, ভুট্টা, বেগুন, বাঁধাকপি রাখা যেতে পারে।

    ৪.ফল

    ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকে সকল ফলে। গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্র ফল অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ খাবার। তরমুজ, পেয়ারা, কমলালেবু, মিষ্টি আলু, আভোকাডো, ডালিম, কলা, আপেল জাতীয় ফলগুলো গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকায় রাখতে পারেন।


    ৫. মাংস

    আমিষ জাতীয় খাদ্যের মধ্যে মাংস অন্যতম কারণ মাংসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, প্রোটিন, লোহ এবং জিঙ্ক থাকে। তবে চর্বি যুক্ত মাংস এড়িয়ে চলতে হবে, চর্বিযুক্ত মাংস খেলে আপনার উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খাদ্য তালিকায় চর্বি ছাড়া মাংস রাখুন। এতে আপনার এবং সন্তান উভয়ের জন্য ভালো হবে। তাছাড়া আধাসিদ্ধ মাংস সম্পূর্ণ ভাবে বর্জন করতে হবে।


    আরো পড়ুনঃ কানের পর্দা ফেটে গেলে কি করবেন বা কি করনীয়


    গর্ভাবস্থায় কি খাবেনঃ


    কোন মেয়ে যখন মা হতে চলে, সেক্ষেত্রে তার স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখা বা রাখতে হবে যে, গর্ভবতী মা এবং গর্ভের সন্তান যথেষ্ট পরিমাণ প্রয়োজনীয়তা পুষ্টি পাচ্ছে কিনা।

    তবে প্রত্যেক গর্ভবতী মায়েদের খাবারের তালিকায় অবশ্যই কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখা উচিত, অর্থাৎ-

    ১.শাকসবজি ও ফলমূলের উপকারিতাঃ

    গর্ভবতী মা এবং গর্ভে সন্তানের উদ্দেশ্যে প্রতিদিনের খাবারে টাটকা অর্থাৎ সতেজ সাজ সবজি ও ফলমূল অবশ্যই রাখা দরকার। পরিমাণে ভাত ও রুটি ও আলো জাতীয় খাবার, সেই সঙ্গে কঠিনযুক্ত খাবার হিসেবে মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল ইত্যাদি খেয়ে রাখা দরকার। এছাড়াও সামুদ্রিক মাছ ও খাওয়া প্রয়োজন রয়েছে, কারণ সামুদ্রিক মাছের রয়েছে আয়োডিন যা বাচ্চার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি ক্যালসিয়ামযুক্ত ফুট অর্থাৎ যাকে বলা হয়. ডেইরি ফুড, যেমন-দুধ দই ও দুধ দিয়ে তৈরি খাবার, ইত্যাদি ও গর্ভবতী মা এবং গর্ভের সন্তানের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফলের দিক থেকে বলা যায়, এক গ্লাস কমলার রস থেকে আপনি প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি পাওয়া যায়। যা শিশুর দাঁত ও হাড়ের গঠনকে মজবুত করতে সাহায্য করে।


    ২.ডিমের উপকারিতাঃ

    আমরা জানি ডিমের উপকারিতা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ডিমে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
    এবং সেই সঙ্গে জন্মগত রুটি দূর করতেও সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় সিদ্ধ ডিম কুসুম সহ খেয়ে টাকা খুব প্রয়োজনীতা বলা যায়।

    গর্ভাবস্থায় মায়েদের সমস্যাঃ

    গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ মায়েদের শরীর ডিমও গ্লোবিনের ঘাটতি হয়ে থাকে। কারণ এই সময় এজন্য শরীর রক্তস্বল্পতা রোগ হয়ে থাকে; কারণ এই সময় গর্ভস্থ শিশুর দেহে গ্রহের চাহিদা মেটানোর ফলে মায়ের রক্তে হিমু গো্লবিনের মাত্রা কমে যায়। এমনকি গর্ভবতী অবস্থায় রক্ত ও সল্পতায় ফলে শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক অবসাদ বা ক্লান্তি, বুক ধরফর করা প্রভৃতি সমস্যা হয়ে থাকে।


    গর্ভবতী মায়েদের প্রোটিন বা আমিষের প্রয়োজনীয়তাঃ

    গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণের প্রয়োজন দৈনিক ৯০ থেকে ১০০ গ্রাম। তবে এই পরিমাণ প্রোটিন পাওয়ার যাই, মাংস, মাছ, ডিম ,দুধ, ডাল, বাদাম সিমের বীজ থেকে।


    ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবারের প্রয়োজনীয়তাঃ

    শারীরিক শক্তির উৎস হিসাবে এবং স্নায়ুতন্তের সঠিক গঠন নিষিদ্ধ করে চর্বি জাতীয় খাবার। চর্বি পাওয়া যায়  ঘি ,মাখন, তেল, মাংসের চর্বি ইত্যাদি থেকে।



    ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তাঃ

    নবজাতক শিশুর হাড় গঠনের জন্য গর্ভাবস্থায় শেষ তিন মাসে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার বেশি পরিমাণ খেতে হবে। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস দুধ ও দুগ্যজাত খাবার। তবে দুধ ছাড়াও ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটানো যায় এরকম খাবার হল ডাল ও ছোট মাছ ইত্যাদি।



    লৌহ ও  ফলিক এসিড এর প্রয়োজনীয়তাঃ

    মেয়েদের গর্ভধারণের আগেই ফলিক এসিড ও লোহ সমৃদ্ধ খাবার বেশি পরিমাণে খেয়ে রাখা দরকার। কারণ গর্ভকালীন মেয়েদের শরীর এই দুটির প্রার্থী বেশি দেখা যায় লৌহ ও ফলিক এসিড আছে এরকম খাবার গুলি হল দুধ, ডিম, মাছ , মাংস, চালতা, গুড় , তরমুজ, সবুজ শাকসবজি, কালো কচু শাক, ইত্যাদি।


    ভিটামিন ্এর প্রয়োজনীয়তাঃ

    শিশুদের গঠনের জন্য ভিটামিন এ ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স” খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও গর্ভকালীন রক্তপাতের আশঙ্কা থেকে মুক্ত থাকার জন্য গর্বের শেষ দিকে ভিটামিন কে খাওয়া খুবই প্রয়োজন মনে করি। এমনকি শিশুর হাড় গঠনের জন্য ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি ভিটামিন ডি খেয়ে রাখা প্রয়োজন। আরো বলা যায় ভিটামিন সি গর্ভবতী মায়েদের এবং নবজাতক এর ত্বক এবং চুলের জন্য খাওয়া খুবই দরকার বলা যায়। যে সমস্ত খাবারের মধ্য এই ধরনের ভিটামিন রয়েছে সেগুলি হল দুধ. ছানা.. মাখন, ডিম, কড লিভার অয়েল, ইলিশ মাছ, টমেটো, গাজর, পালং শাক, বেড, লাল শাক, বিভিন্ন ধরনের মাংস, ডাল, আলু, আমলকি, পেয়ারা, কমলা লেবু ইত্যাদি।



    (***প্রিয় পাঠক আমাদের এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লাগে তাহলে আরো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন***)


     



    কি খাওয়া উচিত নয়ঃ

    গর্ভাবস্থায় ডায়েট করা উচিত না এতে করে আপনার শরীর পুষ্টিহীনতায় ভুগতে পারে। গর্ব অবস্থায় ওজন বাড়া বাল লক্ষণ কিন্তু আপনার ওজন যদি খুব বেশি বেড়ে যায় তাহলে খাবারের তালিকা থেকে চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিন ও হালকা ব্যায়াম করুন। এমনকি কোন কিছু খাওয়ার আগে কারো কাছ থেকে জিজ্ঞেস করে নিবেন। তবে তার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন,, তাহলে আপনার কোন চিন্তিত থাকবেন .. কি খাবেন বা কি কি খাওয়া উচিত নয়,, তা ডাক্তারের পরামর্শ নিন??






    গর্ভাবস্থায় পা ফুলে গেলে কি করবেনঃ

    গর্ভবতী মায়েদের শরীর আরও একটি সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে, তাহারও অধিকাংশ মায়ের পা ফোলা সমস্যার কষ্ট পেয়ে থাকেন। তবে পা ফোলা যদি পরিমাণে কম হয়ে থাকে তাহলে সমস্যা খুবই  একটা যোগী থাকে না বলা যায়। আর যদি পা ফুলাও অতিরিক্ত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরী। কোনোভাবেই কিন্তু অবহেলা করা সঠিক পদ্ধতি নয়। এছাড়াও পা ফুলে গেলে বিছানা থেকে সামান্য উৎসুতে পা রেখে রাতে ঘুমানো দরকার। এছাড়াও বলা হয় অতিরিক্ত পা জ্বলে না থাকা, এবং কি সঠিক পদ্ধতিতে হাঁটাচলা, এমনকি চিকিৎসকের মধ্যে গর্ভবতী মায়েদের শরীরে ক্ষেত্রে প্রতিদিন হিসেবে করে ছয় থেকে আট গ্লাস জল খেয়ে রাখা দরকার। এতে কিছু উপকার হতে পারে বলে থাকেন সবাই। তাও যদি কিছু না হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।



    গর্ভাবস্থায় কিছু সর্তকতাঃ

    গর্ভবতী মায়েদের স্বমন্বো কিছু তথ্যঃ   

     
    তবে গর্ভকালীন মায়েদের ক্ষেত্রে বর্তমান গর্ভাবস্থায় পরিচিতি জানতে গর্ভবতী মায়ের থেকে কিছু সাধারণ তথ্য নেওয়া হয়. যেমন-নাম ও বয়স, ঠিকানা, স্বামীর নাম, পেশা। এমনকি শেষ মাসিকে তারিখ, বর্তমানে কোন সমস্যা। এছাড়াও আরো জানা হয় পূর্ববর্তী অসভ্য সংস্থান ইতিহাস সম্পর্কে, যথা-সন্তান সংখ্যা-প্রসব তারিখ ওসব স্থান উচ্চ রক্তচাপ ছিল অথবা আছে কিনা অজ্ঞান অথবা খিঁচুনি হয়েছে কিনা-
    প্রসবের ধরন স্বাভাবিক বা সিজারিয়ান সেকশন. এমনকি প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছিল কিনা ইত্যাদি।



    গর্ভবতী মায়েদের জটিল সমস্যা জনিত তথ্যঃ

    বর্তমান গর্ভবতী মায়েদের কোন জটিল সমস্যা আছে কিনা, যেমন জমজ, গবস্তা শিশু, উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস,, জন্ডিস হৃদরোগ, এর কোন আশঙ্কা আছে কিনা।

    সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা জনিত তথ্যঃ

    প্রথমত গর্ভবতী মায়ের ওজন বাড়ছে কিনা, দ্বিতীয়তঃ-. রক্তচাপ কত ও হাত পা ফুল আছে কিনা যদি এত রক্তস্বল্পতা আছে কিনা. তারপর জানতে হবে যাওয়া হয় পেট পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ুর উচ্চতা, বাচ্চার অবস্থান ও বাচ্চার হৃদয়স্পন্দন ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি।



    গর্ভাবস্থায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে কি করবেনঃ

    গর্ভকালীন সময় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লিকুইড জাতীয় খাবার খেতে হবে। বিশুদ্ধ পানি পাশাপাশি অন্যান্য স্বাস্থ্যসম্মত পানির ডাবের পানি. লাচ্ছি ,মাঠা বা গ্রিন টিরাখতে পারেন। সারাদিন অন্তত 8 থেকে 10 গ্লাস লিকুইড পান করুন। 

    *পানি পান করার সময় দাঁড়িয়ে বা বোতলে করে পানি পান করবেন না। ভালোভাবে বসে মগ বা গ্লাসে করে পান করুন।

    * খাবার গ্রহণ করার মাঝে পানি পান না করে খাবার খাওয়ার 30 মিনিট আগে এবং ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন। 

    *খাওয়ার সময় একবারে অনেক বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প অল্প করে বারে বারে খাবার খাবার খেতে হবে বা পারেন। 

    *খাবার খাওয়ার সময় ধীরে ধীরে এবং খুব ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। বড় মিল গুলো অন্তত দশ বা বিশ মিনিট ধরে খাওয়ার চেষ্টা করুন। 

    *খাবার খাওয়ার সময় অন্য কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করবেন না, খাওয়ার প্রতি মনোযোগ দিন।

    * কৃত্রিম চিনি বা স্বরবিটল দিয়ে তৈরি যে কোন খাবার খাবার পরিহার করুন।

    *হার্ড ক্যান্ডি বা চুইংগাম সেবানু অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করুন

    * গর্ভধারণের আগে থেকেই যদি কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থাকে তবে তার চিকিৎসা করে উচিত

    * নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে আস সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত

    * অনেকে, ই গর্ভকালীন সময়ে সব ধরনের স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ করে দেয় তবে, হেলদি পেগনেস্নৗর জন্য প্রতিদিন ৩০ মিটার  ব্রিস্ক ওয়াকিং বা ইয়োগা করা উচিত। এতে যেমন সুস্থ থাকায় যায়. ব্যাটা বলি যম বাড়ে এবং গ্যাসের সমস্যা কমে।

    * গর্ভকালীন সময়ে প্রতিদিন ৩-৪টি কাঁচা আমলক্ষী লবন ছাড়া খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকখানি কমে যায়।

    * খাবার একটা চামচ কিছুটা মরি দানা বা মিষ্টি জিরা চিবিয়ে খেতে পারেন। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত কোন ধরনের গ্যাস্ট্রিকের মেডিসিন খাবেন না।    






    শেষ কথাঃ


    প্রিয় পাঠক আমাদের গর্ভবতীর মায়েদের খাদ্য তালিকা ও  টিপস এই আর্টিকেলে দেওয়া হয়েছে যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে আমাদের ভিজিট করুন আমাদের পাশে থাকুন ধন্যবাদ







    Next Post Previous Post
    No Comment
    Add Comment
    comment url