ডেঙ্গু জ্বরের কারণ .লক্ষণ ও চিকিৎসা ডেঙ্গু জ্বর কতদিন থাকে কি কি করণীয়ম ??

আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা এই  আর্টিকেলে রিপোর্ট ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ বা ডেঙ্গু জ্বর থেকে আমরা কিভাবে বাঁচতে পারি। ডেঙ্গু জ্বর একটি মশাবাহিত ভাইরাল সংক্রমণ রোগ। এটি বিশ্বের গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বা শহরে সাধারণ বেশি দেখা যায়। এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগে তখনই আক্রান্ত হয় একজন ব্যক্তি যখন এডিস মশা একটি সংক্রমিত ব্যক্তিকে কামড় দেয় এবং তারপর ভাইরাস বহন করার সময় একটি সুস্থ ব্যক্তিকে কামড় দেয়। আজকে আমরা পড়বো ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাঁচার উপায় তাই মনোযোগ দিয়ে আর্টিকেলটি পড়ুন।






পোষ্টের সূচিপত্রঃ


  • ডেঙ্গু জ্বর কখন ও কাদের বেশি হয়ঃ
  • ডেঙ্গুর হেমোরেজিক জ্বর লক্ষণঃ 
  • ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ বা উপসর্গ গুলো কি কিঃ
  • এসিড মশা দেখতে কেমন হয় এসিড মহা সম্পর্কে তথ্যঃ
  • ডিশ মশা একবার কামড়াইলেই কি ডেঙ্গু জ্বর হয়ঃ
  • ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় কি কি করতে হবেঃ
  •          শেষ কথাঃ



আরো পড়ুনঃ কানে পর্দা ফেটে গেলে কি করবেন কানে ফাটা ফেটে গেলে কিভাবে বুঝবেন


ডেঙ্গু জ্বর কখন ও কাদের বেশি হয়ঃ

আজকে আর্টিকেলে পর্ব ডেঙ্গু জ্বর কখনো কাদের বেশি হয়। আমরা জানি বিশেষ করে মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিশেষ করে গরম এবং বর্ষা সময়ে ডেঙ্গু জ্বরে প্রকোপ বেশি থাকে। শীতকালে সাধারণত এই জ্বর হয় না বলেই চলে। শীতে লাভা অবস্থায় এই মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। বর্ষা শুরুতেই সেগুলো থেকেই নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

সাধারণত শহর অঞ্চলে অভিযান এলাকায় বড় বড় দাঁড়ান খোটা এই পাদুভা বেশি। তাই ডেঙ্গু জ্বর এই এলাকায় বাসিন্দাড়ে বেশি হয়। আমরা জানি শহরে অনেক আবর্জনা থাকার কারণে ডেঙ্গু মশা তৈরি হয় বেশি বস্তিতে বা গ্রামে বসবাসরত লোকজনের ডেঙ্গু কম হয়। কারণ গ্রামে আবর্জনা একটু কম থাকার কারণে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাই। ডেঙ্গু ভাইরাস চার ধরনের হয়। তাই ডেঙ্গু জ্বরও চারবার হতে পারে।ূ তবে যারা আগেও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে রোগীটি হলে সেটি মারাত্মক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে এটি শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়।

কোন কোন জায়গায় ডেঙ্গু জন্মায়ঃ

  1. আমরা জানি যেখানে বেশি আবর্জনা থাকে সেখানে ডেঙ্গুজন্মায়
  2. টায়ার বা টবে ডেঙ্গু জমাতে পারে
  3. নারিকেলের খোরসা বা ফ্রিজের তলার ডেকোরেশন এর পানি থাকা
  4. প্লাস্টিক জাতীয় কোন অবস্থায় পানি জমে থাকা
  5.    যেকোনো টবে পানি জমে থাকা
তাই আমাদের এগুলো চারদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।যে কোনখানে পানি জমা না থাকি তা আমাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে চারিদিকে।





ডেঙ্গুর হেমোরেজিক জ্বর লক্ষণঃ 


এই অবস্থায় এটা সবচেয়ে জটিল। এই জ্বরের কাশি কেল ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসংঘের পাশাপাশি আরো যে সমস্যা গুলো হয় সেগুলো হল”

শরীরে বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়। যেমন =
  • চামড়ার নিচে
  • নাক মুখ দিয়ে
  • মারিও দাঁত থেকে
  • কফের সাথে
  • রক্ত বমি
  • পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা
  • চোখের মধ্যে এবং চোখের বাইরে রক্ত পড়তে পারে
  • তবে মেয়েদের বেলায় অসময়ে ঋতুস কাব্য অথবা রক্তক্ষরণ শুরু হলে অনেকদিন পর্যন্ত রক্ত পড়তে থাকা ইত্যাদি হতে পারে


এই রোগের বেলায় অনেক সময় বুকে পানি, পেটে পানি ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় লেবার আক্রান্ত হয়ে রোগীর জন্ডিস, কিডনিতে আক্রান্ত হয়ে রেনাল সেই ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।...



ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ বা উপসর্গ গুলো কি কিঃ


মশা বাহিত ভাইরাস গঠিত রোগীর টির নাম হল ডেঙ্গু জ্বর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রথমবার কোন ব্যক্তি যদি আক্রান্ত হয় সে ক্ষেত্রে আক্রান্ত রোগী বিশেষ কোন লক্ষ বা উৎসব দেখা যায় না। তিন থেকে 15 দিনের মধ্যে যদি ভাইরাস বাহনকারী এসিড মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর  উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এজন্য আমাদের কে ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো সম্পর্কে জ্ঞান ভালোভাবে থাকা উচিত। এই উপসর্গ গুলোতে রয়েছে বা এই আর্টিকেলে আমরা বলে দিব কি করণীয়।


তাই আমাদের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে


  • মাথা ব্যাথা
  • বমি উচ্চর ৪০ ডিগ্রি ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে
  • মাথা ঘোরা 
  • রক্তচাপ ও স্পদদের হার কমে যাওয়া
  • ত্বকে বিভিন্ন স্থানে ফুসকুড়ি
  • চোখের পিছনে ব্যথার অনুভূতি
  • চামড়ার লালচে দাগ ও রেস
  • শরীরে শীতলতা অনুভব করা 
  • খোদা কমে যাওয়া
  • কোন্ঠ কাঠি ন্য



এসিড মশা দেখতে কেমন হয় এসিড মহা সম্পর্কে তথ্যঃ



এই জাতীয় মশার দেহ সাদাকালো ও  ডোরাকাটা দাগ থাকে। যে কারণে এটি টাইগার মশা বলা হয় দেখে নেওয়া যাক মশার চিত্রটি...









এ জাতীয় মশা মাঝারি আকারে হয়ে থাকে এবং এর এন্টেনা বা শক্তি কিছুটা নোমশ দেখতে হয়।

এসিড মশার এনটি নাই অনেকটা দাড়ির মতো থাকেঅ পুরুষ মশাই এন্টেনার স্ত্রীর মশার চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি লোমশ দেখতে হয়। দেহের ডোরাকাটা দাগ এবং এন্টেনা দেখতে এসিড মশা চেনা সম্ভব।



এসিড মশাকে শুধু সকালেই কামরায় কি যেনে নেনঃ


শুধুমাত্র দিনে আলো থাকাকালী সময়েই এসিড মশা কামড়ায়। সূর্যদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এসিড মশা কামড়ায়। তবে কামড়ানোর হার সবচেয়ে বেশি থাকায় পর দুই তিন ঘণ্টা এবং সূর্যাস্তের আগে কয়েক ঘন্টা। রাতে এসিড মশা কামড়ায় না।


শুধু কি পায়ে কামরায় এসিড মশা?

এসিড মজার শুধু মানুষের পায়ে কামরায় সম্পত্তি বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে এই বিষয়টি প্রচার করা হয়। সাধারণত মানুষের পায়ে কামড়ায় কারণ সাধারণত মানুষের পায়ে শরীরে পাই অনাবৃত্ত থাকে। তবে শুধু যে পায়ে মশা কামড়ায় বিষয়টি এরকম নয়।





ডিশ মশা একবার কামড়াইলেই কি ডেঙ্গু জ্বর হয়ঃ


এসিড মশা কামড়ায় যে মানুষের ডেঙ্গু জ্বর হবেই. বিষয়টা এমন নয় বলে জানান ডক্টর আখতারুল জামান। পরিবেশে উপস্থিত ভাইরাস এসিড মশার মধ্যে সংকীর্ণ হলে সেই মশা কামড়ে ডেঙ্গু হওয়া সম্ভাবনা থাকে।

এসিড মশা ভাইরাস সংক্রিতমত থাকা অবস্থায় মানুষকে কামড়ালে সুস্থ মানুষের ডেঙ্গু হতে পারে।

ভাইরাসের কারণে হওয়া জ্বরের আক্রান্ত থাকা ব্যক্তিকে এসিড মশা কামড়ালে মশার মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ হওয়া সুযোগ থাকে।,
এসিড মশার একটি বিষয় হল তার স্বাধীনতা একাধিক ব্যক্তিকে কামড়ায়। ভাইরাস জ্বরের আক্রান্ত কোন ব্যক্তি শরীর থেকে এসিড মশার মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার পর ওই মশা কামড়ের ডেঙ্গু হয়।




ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় কি কি করতে হবেঃ


ডেঙ্গুর জন্য দায়ী মশা. এসিড ইজ এ পয়েন্ট ,যার একটি কামুরী ডেঙ্গু সংক্রমনের জন্য যথেষ্ট।
আর বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অবস্থানের মশার উপ ধর্ম শুরু হয়ে জেগে গেছে।
ডেঙ্গুর উপসর্গ হলো জ্বর, বেশি ব্যাথা,, শরীরের ব্যাথা দুর্বলতা ইত্যাদি। সবমিলিয়ে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নয়। তবে রোগ থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে পারেন।

আমরা আজকে আপনাদের এই অফসাইটে আমরা আর্টিকেল লিখে প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হলো এই পদক্ষেপগুলো । ভালো লাগলে আমাদের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।


আবীরতা থাকা:

হাত আর পা মশার জন্য সবচাইতে সহজ লক্ষ্য। তাই ঘরে বাইরে যেখানেই থাকুন চেষ্টা করতে হবে যথাসম্ভব কাপড়ের আবিত্ত থাকা। ফুল প্যান্ট ফুল শার্ট ও জুতা ইত্যাদি দিয়ে শরীর। ঢেকে রাখতে হবে।
ঢিলেঢালা পড়ায় হবে সবচাইতে আরাম দায়ক।





বদ্ধ পানি অপসারণ: 

মশার বংশবিস্তারের আদর্শ স্থান হল জন্মে থাকা পানি। বৃষ্টির দিনে জলবদ্ধতা বাড়ে. ফলে মশার বংশবিস্তারের স্থান ও বাড়ে। তাই মশার অপদর্গ থেকে বাঁচতে অবশ্যই করণীয় গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো যেসব জায়গা পানির জমে থাকতে পারে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলা

  • যেমন টবের পানি থাকা
  • নারিকেল খোসায় পানি জমে থাকা
  • বা কোন গস্তে পানি জমে থাকা
  • ফ্রিজের তলায় ডেকোরেটার পানি থাকা ইত্যাদি

পাশাপাশি গাছের টবে বেশি পানি দেওয়া যাবে না।




মশা দৌড়ে রাখার গাছ:

মশা তাড়ানোর একটি কার্যকর একটি স্বাস্থ্যকর উপায় হল মশা ধরে রাখে এমন গাছ ঘরের পাশাপাশে রোপন করা, যেমন-তুলসী গাছ, সিট্রোনেলা লেমন গাস ইত্যাদি এ কাজে কার্যকর।


ঘরোয়া সমস্যা সমাধান :

মশা ধরে রাখার নিরাপত্তা উপায় হল ঘরোয়া উপাদান। যা প্রায় সবার রান্না ঘরেই আছে,
মৃদু কর্পূর . সরিষার তেলের সঙ্গে মেশানো কেরম সিট বা আজওয়াই ইত্যাদি মশা তাড়াতে কাজে আসে।
নিমের ও লেভেন্ডার তেল ইউ কেলি পটাশ । ওয়েল ইত্যাদি উপকারী





ময়লা রাখার পাত্র:


যেকোনো ময়লা রাখার প্রাপ্ত প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। আর ব্যবহারের সময় তা ডেকে রাখতে হবে। যে বানু ভরা মহিলার পাত্র মশার টানে এছাড়াও ঘরে কোন ছায়া বৃত্ত স্থান বাগান ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।


মশারানোর ওষুধ:


মশারানুস প্লে. মলমির ব্যবহার জোর দিতে হবে। ঘরে কিংবা বাইরে সবখানে এগুলো ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এগুলো সবচাইতে ব্যবহার করা উচিত..




রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা:


স্বাস্থ্যকর খাদ্য বাস মেনে চলার মাধ্যমে শারীর িক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হলে সব ধরনের রোগ থেকে থাকতে হবে। এজন্য খাবারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর পলিমেন্টও গ্রহণ করা যেতে পারে।


দরজা জানালা বন্ধ:
দিনের শেষে এবং রাতেই মশার অপদার্থ বেশি হয়। তাই এ সময় করে দরজা জানালা বন্ধ রাখতে হবে তাহলে মশা ঢুকতে পারবে কম। পাশাপাশি জালানা ও দরজা মুচকি ওঠো নেট লাগানো যেতে পারে। দিনের বেলাও গড়ে মশা ঢুকতে পারে তাই জানা নেটের পালা ব্যবহার করতে হবে।



                    শেষ কথাঃ

আমাদের আমাদের এই আর্টিকেলে ডেঙ্গু জ্বর থেকে কিভাবে বাঁচব ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা এবং কি কি করতে হবে তাই এয়ার টিকেট লেখা হয়েছে। তাহলে আমাদের পাশে থাকুন।ধন্যবাদ
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url