অর্জুন গাছের ছালের উপকারিতা আরো টিপস জেনে নিন?

 আসসালামালাইকুম আজকে আমরা জানবো অর্জুন গাছের উপকারিতা।ভেষজশাত্রে ঔষধি গাছ হিসাবে আর্জুনের ব্যবহার অগনিত।বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর এক জন ডাক্তার থাকা একই কথা।এ র ঔষধি গুন মানবসমাজের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই।শরীরের বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবিত রাখতে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়।তার পর যত দিন যাচ্ছে ততই অর্জুনের উপকারী দিক উদ্ভাবিত হচ্ছে।





 

পোস্ট সূচীপত্রঃ

  • যাদের হার্টের সমস্যা বা রক্তচাপ নাই তাদের জন্য অর্জুন খাল ১০টি উপকারিতা  ঃ
  • মানুষের শাস্তে ঔষধিগাছ হিসেবে অর্জুনের  কি কি হয়ঃ
  • নিম্মে অর্জুনের কিছু উপকারী ১২টি দিক বর্ণনা করা হলোঃ
  • অর্জনের খাল হজম শক্তি বাড়ায় জেনে নিনঃ
  • শিশু মায়ের বুকের দুধ পাচ্ছেনা? কি করবেন  ৮টি কাজ জেনে নিনঃ



যাদের হার্টের সমস্যা বা রক্তচাপ নাই তাদের জন্য অর্জুন খাল ১০টি উপকারিতা  ঃ







 ১.যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রাক্তচাপ নাই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মি লি জল এর সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকেলবেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি কমে যায়। তবে পেটে যাতে বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

২. অর্জুন ছাল বেটে খেলে হৃৎপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয়, হৃৎপিন্ডের ক্ষমতা বাড়ে।এটি রক্তের কোলেষ্টরল কমায় এবং ফলত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে।


৩. বিচুর্ণ ফল মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভারসিরোসিসের টনিক হিসাবে ব্যাবহৃত হয়।


 ৪.অর্জুনের ছালে ট্যানিন রয়েছে, এ টানিন মুখ,জিহ্বা ও মাড়ীর প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যাবহার হয়।এটি মাঢ়ীঢ় রক্তপাত বন্ধ করে এবং শরীরে ক্ষত, খোস পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে সেরে যায়।


 ৫.অর্জুনের ছাল হাঁপানি, আমাশয়, ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা, ব্যথ্যা ,প্রদর ইত্যাদি চিকিৎসায়ও উপকারী।


 ৬.এটি সংকোচ ও জ্বর নিবারক হিসাবেও কাজ করে।


 ৭.এ ছাড়া অর্জুনে saponin রয়েছে, একটি যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়। তাই চর্ম ও যৌন রোগে অর্জুন ব্যাবহ্রত হয়।যৌন উদ্দীপনা বাড়াতেও অর্জুনের ছালের রস ব্যাবহার হয়।


 ৮.অর্জুনের ছালে essential oil রয়েছে তাই অর্জুন খাদ্যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়।খাদ্যাতন্ত্রের ক্রিয়া স্বভাবিক রাখতে সাহায্য করে।


 ৯.ক্যান্সার কোষের বর্ধন রোধকারী [{gallic acid,ethy gallae} ও lutenolin ] রয়েছে অর্জুন ছালে। এ কারনে এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যাহারের সুযোগ রয়েছে।

১০. আমরা জানি অর্জুন খাদ্য হজম ক্ষমতা ও হাঁপানি এবং শারীরিক মানসিক অনেক ধরনের কাজ করে থাকে এই অর্জন খালি অর্জুন খেলে অনেক উপকারিতা আছে যারা খায় তারা জানতে পারে একমাত্র ওর জন্য উপকারিতা।



মানুষের শাস্তে ঔষধিগাছ হিসেবে অর্জুনের  কি কি হয়ঃ


আরো পড়ুনঃ এলোভেরা জেলের সংকণের উপায় এলোভেরা তৈরি করার নিয়ম 


 ভেষজ শাস্ত্রে ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার অগণিত । বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর একজন চিকিৎসক থাকা একই কথা। এর ঔষধি গুণ মানব সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই। শারীরিক বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবত করার ভেষজ রস হিসেবে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়।


 তারপর যতদিন যাচ্ছে অর্জুনের উপকারী দিক ততই উদ্ভাসিত চ্ছে। অর্জুন এমনি এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে বহু যুগ ধরে। এটি কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia arjuna,সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে। গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলানো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহবাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল উঠানো যায়। 




অর্জুন গাছের ফল কেমন হবে তা দেখে নিনঃ





 ফল দেখতে কামরাঙ্গার মত, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট। শীতের শেষেই সাধারণত গাছ নিষ্পত্র হয়ে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতায় গাছ ভরে যায়। নতুন পাতা গজানোর সময়েই গাছের শাখাগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে ভরে ওঠে।



 নিম্মে অর্জুনের কিছু উপকারী ১২টি দিক বর্ণনা করা হলোঃ




*হৃদরোগ:

 অর্জুনের প্রধান ব্যবহার হৃদরোগে । অর্জুন ছালের রস কো-এনজাইম কিউ-১০ সমৃদ্ধ । এই কো-এনজাইম কিউ-১০ হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে । বাকলের রস ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টেরল লেভেল কমায় । অর্জুনের ছাল বেটে রস খেলে হৃদপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে । বাকলের ঘন রস দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে হবে। বাকলে রস না থাকলে শুকনো বাকলেরগুঁড়া ১-২ গ্রাম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।


 * অ্যাজমা কি


 অর্জুন ছালের পাউডার ১২ গ্রাম দুধের ক্ষীর বা পায়েসের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাজমা রোগের স্থায়ী সমাধান হবে।


 *ক্ষয়কাশে:


 অর্জুন ছালের গুঁড়া, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে শুকিয়ে রাখতেন প্রাচীন বৈদ্যেরা। দমকা কাশি হতে থাকলে একটু ঘি ও মধু বা মিছরির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে দিতেন। এতে কাশির উপকার হতো।


 * হাড় মচকে গেলে বা চিড় খেলে:


 অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে মচকানো জায়গায় লাগিয়ে বেঁধে রাখলে সেরে যায়। তবে সেই সাথে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২-৩ গ্রাম মাত্রায় আধা চামচ ঘি ও সিকি কাপ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভালো হয়।


* ত্বকের পরিচর্যা:


 ত্বকে ব্রণের ক্ষেত্রে অর্জুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছালের চূর্ণ মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগালে খুব দ্রুত উপকার হয়। এছাড়া ছালের মিহি গুঁড়া মধু মিশিয়ে লাগালে মেচতার দাগ দূর হয়।


 * বুক ধড়ফড়:


 যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রক্তচাপ নেই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকাল বেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি অবশ্যই কমবে। তবে পেটে যেন বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লো-ব্লাড প্রেসারে উপযুক্ত নিয়মে তৈরি করে খেলেও অবশ্য প্রেসার বাড়বে।


* রক্তপিত্তে:


 মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে। সেক্ষেত্রে ৪-৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে পানিটা খেলে উপকার পাওয়া যায়।


 * ফোঁড়া:


 ফোঁড়া হলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখলে ফোঁড়া ফেটে যায়, তারপর পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।


 * ক্ষত বা ঘা:


 শরীরে ক্ষত বা ঘা হলে, খোস-পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছালের ক্বাথ দিয়ে ধুয়ে ছালের মিহি গুঁড়া পানি দিয়ে মিশিয়ে লাগালে দ্রুত ঘা সেরে যায়।


আরো পড়ুনঃ কানের পর্দা ফেটে গেলে কিভাবে বুঝা যায়


 * কানের ব্যথায়:


 কানের ব্যথায় অর্জুন ব্যবহার করা হয়। কচি পাতার রস কানের ভিতরে দুই ফোঁটা করে দিলে কানের ব্যথা ভালো হয়।


* যৌন রোগ:


 যাদের মধ্যে যৌন অনীহা দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে অর্জুনের ছাল চূর্ণ উপকারী। এই ছাল চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খেলে এই রোগ দূর হয়। এছাড়া যাদের শুক্রমেহ আছে তারা অর্জুন ছালের গুঁড়া ৪-৫ গ্রাম ৪-৫ ঘণ্টা আধা পোয়া গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে, তারপর ছেঁকে ওই পানির সাথে ১ চামচ শ্বেতচন্দন মিশিয়ে খেলে উপকার হয় । এটা সুশ্রুত সংহিতার কথা ।  


 * রক্ত আমাশয়ে:

 ৪-৫ গ্রাম অর্জুন ছালের ক্বাথে ছাগলের দুধ মিশিয়ে খেলে রক্ত আমাশয় ভালো হয়।



অর্জনের খাল হজম শক্তি বাড়ায় জেনে নিনঃ

 হজম ক্ষমতা বাড়ায়: ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে অর্জুনের ছাল ৪৫-৩০ গ্রাম করে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অসুবিধা দূর হয়। মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহে : অর্জুনের ছাল এসব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি মাড়ির রক্তপাতও বন্ধ করে। এছাড়াও অর্জুন ছাল সংকোচক ও জ্বর নিবারক হিসেবেও কাজ করে। এছাড়াও এর রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ। ইদানিং অর্জুন গাছের ছাল থেকে ‘অর্জুন চা’ তৈরি হচ্ছে যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। DOS থেরাপি অনুযায়ী অর্জুন ফল দেখতে মানব দেহের হৃদপিন্ডের মতো তাই অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।


আরো পড়ুনঃ ঈদের মিলাদুন্নীব জায়েজ কিনা জেনে নিন



শিশু মায়ের বুকের দুধ পাচ্ছেনা? কি করবেন  ৮টি কাজ জেনে নিনঃ


একজন শিশুর জন্য মায়ের দুধের চেয়ে ভাল কোন খাবার হতে পারে না। এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি বায়োটিক আছে যা শিশুর শরীরে ইনফেকশন রোধ করতে সাহায্য করে থাকে। শিশুর কমপক্ষে এক বছরের খাদ্য হিসেবে মায়ের বুকের দুধ সর্বোৎকৃষ্ট। বুকের দুধ শিশুর সকল পুষ্টির চাহিদা তো পূরণ করেই, একই সঙ্গে শিশুর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে এবং বেড়ে ওঠার সাথে সাথে অ্যাজমা ও ওবেসিটির ঢাল হিসেবে কাজ করে।


দেখা গেঝে যে সব শিশুরা মায়ের দুধ খাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়, তারা শারীরিক ভাবে দুর্বল হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। অনেক সময় শিশুরা মার কাছ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণের দুধ পায় না। প্রাকৃতিক কিছু উপায়ে মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করা সম্ভব।


১. প্রচুর পরিমাণে পানি পান

বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা। আর এইজন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করবে।


২. ঘন ঘন বাচ্চাকে দুধ দিন

চেষ্টা করুন বাচ্চাকে দিনে তিন ঘন্টা এবং রাতে চার ঘন্টা পর পর দুধ খেতে দিতে। যত বেশি দুধ খাওয়ানো হয় তত বেশি দুধ উৎপাদন হয়ে থাকে।


৩. গরম দুধ এবং জিরা পান করুন

এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চা চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এটি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করে থাকে।


৪. পাশ পরিবর্তন

একটি স্তনের দুধ সম্পূর্ণ খাওয়া হয়ে গেলে তবে আরেকটি স্তনে দুধ খেতে দেবেন। খুব ঘন ঘন স্তন পরিবর্তন করবেন না। দুধ খাওয়ানোর সময় বাচ্চাকে কিছুটা উপরের দিকে তুলে ধরে শরীর থেকে কিছুটা দূরে রেখে দুধ খাওয়ান। এভাবে বাচ্চা বেশি দুধ পাবে।


৫. দুধ খাওয়ানোর সময় নির্দিষ্ট করবেন

দুধ খাওয়ানোর সময় নির্দিষ্ট করবেন না। যখন দুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে তখনই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। চেষ্টা করুন দুধ খাওয়ানোর জন্য উভয় স্তন ব্যবহার করতে। এতে দুই স্তনে দুধ বৃদ্ধি পাবে।


৬. খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনুন। সবুজ শাক সবজি, ডিম, দুধ, রসুন, আঙ্গুরের রস, ফলের রস, মুরগির মাংস প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই খাবারগুলো বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে।


৭. গরম দুধ এবং দারুচিনি

এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি প্রতিদিন পান করুন। এটি আপনার বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।


আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ  সেরা বৃষ্টি ফিন্যান্সির প্রতিষ্ঠান জেনে নিন


৮. রসুন

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন খেতে পারেন। এটিও আপনার বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। কাঁচা রসুন খেতে না পারলে রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন। এছাড়া এক কাপ পানিতে ৩ কোয়া রসুন দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। পানি কমে অর্ধেক হয়ে আসলে এতে এক কাপ দুধ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে চুলা নিভিয়ে দিন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য মধু মিশাতে পারেন। এটি প্রতিদিন সকালে পান করুন।


পর্যাপ্ত পরিমাণের ঘুমও বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে। দৈনিক খাবার কিছু পরিমাণে বাদাম রাখতে পারেন। দুশ্চিন্তা না করে বাচ্চাকে নিয়মিত দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। দেখবেন বাচ্চা পর্যাপ্ত পরিমানের দুধ পাচ্ছে।





Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url