কাঁচা পেঁপে ও পাকা পেঁপে উপকারিতা ও উপকারিতা জেনে নিন আরো কিছু?

আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা পড়বো, পেপে খাওয়ার উপকারিতা। সমগ্র মানুষের খাদ্যপ্রান বলা হয় ভিটামিন কে। ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা এবং উৎসাহ ভিটামিন এ এর উপকারিতা এবং উৎসাহ ভিটামিনের হল মানুষের চোখ চুল এবং ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এ ভিটামিন এ রয়েছে গাজর মিষ্টি আলু লাল শাক দুধ মিষ্টি কুমড়া আম ও পেঁপে। আমরা আজকে রাতে গেলে পড়বো পেঁপে খাওয়ার উপকারিতা। পেঁপে খাওয়ার অনেক উপকারিতা আছে তা আমরা জানতে হবে।    


                            





 পোস্টের সূচিপত্রঃ    কাঁচা পেঁপে ও পাকা পেঁপের উপকারিতা অপকারিতা সব কিছু এই আর্টিকেলে আছে.



  • কাঁচা  পেঁপে ও পাকা পেঁপের উপকারিতা অপকারিতাঃ
  • কাঁচা পেঁপের অপকারিতা
  • পাকা পেঁপের উপকারিতা 6 টি
  • গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেঁপের তরকারি খাওয়া যাবে কিঃ
  • উজ্জ্বল ত্বক চাইলে পাকা আম খানঃ
  • শেষ কথাঃ


কাঁচা  পেঁপে ও পাকা পেঁপের উপকারিতা অপকারিতাঃ


পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ জনপ্রিয় একটি পরিচিত ফল এ আমরা সকলে জানি । কাঁচা পেঁপে খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে প্রথমে পেঁপে খাওয়ার উপকারিতা ,পেঁপে একটি আদর্শ মানের খাবার বলেই বিবেচিত এবং এর জনপ্রিয়তাও অধিক রয়েছে তা আমরা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পাড়ি। 

পেঁপের গুনাগুন ও উপকারিতা অনেক রয়েছে তা হচ্ছে পাকা পেঁপে একটি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার যা ভিটামিন এ এর বড় অংকে চাহিদা পূরণ করে চলেছে, এটি খাবারের মাধ্যমে আমদের শরীরের কিছু বিষাক্ত পদার্থ নির্গত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, এটি আমাদের সারাবছর যেসব জ্বর থাকে শরীরের সে জ্বর নিরাময় হিসেবেও কাজ করে,।


আরো পড়ুনঃ লেবু ও মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে


কাঁচা পেঁপের অপকারিতাঃ

পাকা পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ জনপ্রিয় একটি পরিচিত ফল এ আমরা সকলে জানি। পাকা পেঁপে খেতেও খুব ভালো এ ফল বছরে কম বেশি সারা বছরে পাওয়া যায় এটি একটি আদর্শ মানের খাবার। পাকা পেঁপে আমাদের রাতকানা তথা ভিটামিন এ এর চাহিদা পূরনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। পাকা পেঁপের উপকারিতা অপরিসীম কিন্তু কাঁচা পেঁপের অপকারিতা লক্ষনীয়।






কাঁচা পেঁপে রস একটি ভয়ানক এবং বিষাক্ত টক্সিক এনজাইম নামক কারপাইন থাকে যা শরীরের ত্বকে জন্য অত্যন্ত বিপদজনক এবং ক্ষতি কারক উপাদান। কাঁচা পেঁপের অপকারিতা বলতে কাঁচা পেঁপের বোটা থেকে নির্গত রস সমূহ। এর রস যদি শরীরের লাগে যায় তবে শরীরে এলার্জি থাকলে তা বৃদ্ধি ঘটতে পারে এবং সেসব স্থানের ক্ষত এর ন্যায় ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয় যা পরবর্তীতে চুলকানির পযার্য়ের পৌঁছে যায়।


এর জন্য কাঁচা পেঁপের রস হতে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেনো কোনো মতেই এটির রস আমাদের শরীরে না লাগের। এ তো কেবল প্রাথমিক পর্যায় ছিল কাঁচা পেঁপের অপকারিতা আরো অধিক রয়েছে তা হচ্ছে কাঁচা পেঁপের রসে যেই টক্সিক এনজাইম কারপাইন নামক উপাদানটি রয়েছে তা আমাদের ব্রেনের অসাড়তা সৃষ্টি করে ব্রেনের কার্ডিয়াকে ডিপ্রেশন করে তোলো যা পরর্বতীতে প্যারালাইসিস করে দিতে সৃষ্টি করে দিতে পাড়ে।


পাকা পেঁপের উপকারিতা জেনে রাখুন ৬টিঃ



 হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করেঃ

হজমশক্তি বাড়াতে পেঁপের তুলনা নেই। পরিপাক নালিকে চনমনে রাখে। যার ফলে দ্রুত হজম হয়। পাকিস্থলির উপর কম চাপ পড়ে।



আরো পড়ুনঃ   প্রাকৃতিক উপায়ে কিডনি ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করবেন,


ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারেঃ

পেঁপের মধ্যে ক্যানসার বিরোধী ধর্ম রয়েছে। ফলে ক্যানসারকে দূরে রাখতে নিয়মিত পেঁপে খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পেঁপেতে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আইসোথিয়োসায়ানেট, যা স্তন, প্রস্টেট, ফুসফুস ও কোলন ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচায়।


লিভার পরিষ্কার করেঃ

পেঁপের মধ্যে যে ডিটক্সের গুণ রয়েছে, তা কমবেশি সবারই জানা। লিভারের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, বা না-ভুগলেও যাঁরা চান লিভার ভালো থাকুক, পাকা পেঁপে খেয়ে যান।

ফ্যাটি লিভারে পাকা পেপের দানা খেতে হবে

বহু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফ্যাটি লিভার বা লিভার সিরোসিসে যারা ভুগছেন, তাদের জন্য পাকা পেঁপের দানা খুব ভালো ওষুধ। প্রতিদিন এক চামচ করে পেঁপে দানার গুঁড়া খান। লিভারকে ডিটক্সিফাই করবে। এর পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ায় ও লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ভালো ফল পেতে সবচেয়ে আগে ড্রিংক করা বন্ধ করতে হবে।

ফিট রাখে কিডনি

লিভারের মতো কিডনি থেকেও ক্ষতিকারক জিনিস বের করে দেয় পাকা পেঁপের দানা।

রক্তের চাপ কমায়

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, পাকা পেঁপের পাশাপাশি পেঁপের দানাও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পেঁপেতে থাকা কারপেইন নামে বিশেষ এক যৌগ উচ্চ রক্তচাপও কমায়। ফলে যারা হাইপ্রেসারে ভুগছেন, বেশি করে পেঁপে খান।

গাঁটের যন্ত্রণা, হাঁপানি, আর্থরাইটিস

এসব অসুখেও পেঁপে খুব উপকারী। বিশেষত, পেঁপে গাছের ডাল। এর মধ্যে থাকা বিশেষ উৎসেচকের উপস্থিতি আর্থরাইটিস, গাঁটের যন্ত্রণার পাশাপাশি হাঁপানিতে ভালো কাজ দেয়।

প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধকও

প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক হিসেবে ভারতীয় সংস্কৃতিতে পাকা পেঁপের দানার ব্যবহার বহুল প্রচলিত। গর্ভবতী হতে চাইলে, সেসেময় পেঁপের দানা খাওয়া যাবে না। আবার পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। ফলে, কোন পুরুষেরই যৌবনকালে খুব বেশি একটানা পেঁপে দানা খাওয়া অনুচিত।



 আরো পড়ুনঃ সহজেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানের উপায়

গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেঁপের তরকারি খাওয়া যাবে কিঃ


আমরা সকলে জানি যে কোনো একটি মা বোন গর্ভাবস্থায় থাকলে সেই সময় টায় বিশেষ গুরুত্ব অবলম্বন করে চলতে হয় এই সময়টা খুবই সতর্ক এবং সেনসিটিভ সময়।যখন কেউ গর্ভাবস্থায় এসে উপমত হয় সেসময় যেমন নিজের এক্সটা কেয়ার এর প্রয়োজন পড়ে, নিজের শরীরকে সুস্থ এবং সবল রাখাটা হয়ে পড়ে দায়িত্ব এর মধ্যে। 

করণ এসব নিজেকে সুস্থ এবং সবল রাখলে তাঁর মাতৃগর্ভে যে পালিত হচ্ছে সেও হবো সুস্থ এবং সবল। তাই আমরা মাকে গর্ভাবস্থায় সুস্থ সবল রাখতে নানা উপায় অবলম্বন করে থাকি নানা ধরনের ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি অগ্রগতি দেয়, ভিটামিনযুক্ত খাবার এসময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেমন আবার এসময় কোন কোন খাবার গুলো স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে তা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অতি জরুরি কারণ এমত




উজ্জ্বল ত্বক চাইলে পাকা আম খানঃ






রাজধানীর সর্বত্রই এখন আমের রাজত্ব।পথে-ঘাটেও মিলছে পাকা আম। মৌসুম ফল আম স্বাদেও অতুলনীয়। বিশেষ করে গাছপাকা আমাদের গন্ধও দারুণ। দেখতেও বেশ।ধীরে ধীরে পাকা আম এখন ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে চলে এসেছে।নানা উপায়ে আম খাওয়া যায়। জুস থেকে শুরু করে আচার সবই হয় আম দিয়ে। আমে রয়েছে পুষ্টিগুণও। এতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন ‘এ’রয়েছে।


এছাড়াও শরীরের নানা উপকার করে থাকে যেমন; চোখের নানা রোগ, চুলপড়া, খসখসে চামড়া, হজমের ইত্যাদি সমস্যা দূর করে।আমে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘সি’ সেই সাথে আরো আছে ফাইবার যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য। তবে ডায়াবেটিস রোগীদেরকে এই ফলটি বুঝেশুনে খেতে হবে।


ত্বকের যত্নেও অনেক উপকারি ভূমিকা পালন করে পাকা আম। ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই ত্বককে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে আম। ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আম, ফলে ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।


আরো পড়ুনঃ নামাজ না পড়ার 15 টি শাস্তি


আমে রয়েছে টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড ও সাইট্রিক এসিড যা শরীরে অ্যালকালাই বা ক্ষার ধরে রাখতে সহায়তা করে। প্রয়োজনীয় এনজাইম যা শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

আমের মধ্যে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলনসহ প্রোস্টেট ক্যান্সারকেও প্রতিরোধে সহায়তা করে আম।

আম স্বাদে ভরপুর তবে খাবার সময়ে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ছোট বাচ্চাদের দিতে হবে পরিমিত পরিমানের।


শেষ কথাঃ

 

প্রিয় পাঠক আজকে আমরা এই আর্টিকেলে লিখেছি কাঁচা পেঁপেও পাকা  পেঁপের উপকারিও উপকারিতা। যদি যদি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে আমাদের পাশে থাকবেন ।

ধন্যবাদ

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url