নাক বন্ধ হওয়া নাকের এলার্জি কারণ প্রতিকার??

 আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা এই আর্টিকেলে পড়বো। নাকের সমস্যা কেন নাক বন্ধ হয়ে যায় শাষের সমস্যা হয়। এই মৌসুমে ঘর থেকে বের হলেই প্রচণ্ড শীত। হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়। এই সময় বাড়ে সর্দি-কাশির সমস্যা। এ কারণে অনেকের নাক বন্ধ হয়ে যায়। শ্বাস নিতেও কষ্ট হয়।

ওষুধে এই সমস্যার সমাধান হয় দেরিতে। ভুগতে হয় বেশ লম্বা সময়। তবে উপকারী কিছু প্রাকৃতিক উপাদান সঠিক নিয়মে গ্রহণ করলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে অল্প সময়েই পরিত্রাণ পাওয়া যায়।







পুষ্টের সূচিপত্রঃ

  • নাক বন্ধ হওয়া বা হয় সাইনোসাইটিস সমস্যার সমাধানঃ
  • নাক  বন্ধ হওয়া বা সাইনোসাইটিস  চিকিৎসাঃ
  • নাকের ৪ সমস্যা কিকি তা আজকে জানবোঃ
  • শীতে নাকের সমস্যা করনী কি ঃ
  • কিভাবে নাকের যত্ন নিবেন তা দেখে নিনঃ
  • শেষ কথাঃ

আরো পড়ুনঃ গলার টনসিল হলে কি করবেন সমস্যা সমাধান


নাক বন্ধ হওয়া বা হয় সাইনোসাইটিস সমস্যার সমাধানঃ


 আমরা এই আর্টিকেলে পড়ব আজকে নাক বন্ধ হওয়া বা সাইনোসাইটি সমস্যার কারণ কি । একটু ঠান্ডা লাগলেই নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে অবিরত পানি পড়া, সঙ্গে বিরক্তিকর মাথাব্যথা বা ভারী লাগা—এটাই সাইনোসাইটিসের সাধারণ উপসর্গ। অনেকেই বলে থাকেন, সাইনাসে সমস্যা আছে বা সাইনোসাইটিস আছে।


আমাদের মুখমণ্ডল ও মস্তিষ্কের হাড়ে কিছু ফাঁপা জায়গা বা বায়ুকুঠুরি আছে, যার নাম সাইনাস। এই ফাঁপা অংশটিতে প্রদাহের সৃষ্টি হলে তাকে সাইনোসাইটিস বলা হয়। মাথার হাড়ে চারটি সাইনাস রয়েছে। হাড়ের ওজন কমানো ও কণ্ঠস্বরকে ভারী এবং নাসিকাময় করা এদের কাজ।


কেন হয় সাইনোসাইটিস?


সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা নানা ধরনের জীবাণুর আক্রমণেই সাইনোসাইটিস হয়ে থাকে। তবে নাকে আঘাত পাওয়া, অ্যালার্জি, ঠান্ডা লাগা, ধুলা-বালু, নাকের বাঁকা হাড়, নাকে টিউমার ইত্যাদি সমস্যা এ রোগের প্রকোপ বা ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।



উপসর্গগুলো কী?


নাক দিয়ে পানি পড়া বা হঠাৎ করে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, সেই সঙ্গে তীব্র-দীর্ঘ ও বিরক্তিকর মাথাব্যথা তো রয়েছেই।


সাইনাসগুলোর ঠিক ওপরেও চাপ চাপ ব্যথা থাকতে পারে। মাথা ভারী ভারী লাগে ও খাবারের স্বাদ বা রুচি নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় এর সঙ্গে জ্বর, গা ম্যাজ ম্যাজ করা এবং মানসিক অবসাদ যোগ হয়।


অনেকের এই সমস্যা বারবার, যেমন বছরে কয়েকবারই হতে দেখা যায়, বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন অ্যালার্জিতে ভোগেন।


 নাক  বন্ধ হওয়া বা সাইনোসাইটিস  চিকিৎসাঃ

 


আরো পড়ুনঃ ২০ টি পায়ে বাংলাদেশের কোটিপতি হওয়ার ব্যবসা করার উপায়ঃ


যাঁদের সাইনোসাইটিসের সমস্যা আছে, তাঁরা রোগ এড়াতে কিছু বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করবেন। যেমন শুষ্ক, খোলামেলা এবং যথেষ্ট আলো-বাতাস আছে এমন ঘরে বা পরিবেশে বসবাস করুন।


ধূলা-বালি থেকে দূরে থাকুন। ঘন ঘন ঠান্ডা লাগাবেন না। পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং প্রচুর ভিটামিনযুক্ত খাবার খান।


সাইনাসের সমস্যা দেখা দিলে প্রাথমিক অবস্থায়ই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেয়ে রোগটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। রোগটিকে দীর্ঘমেয়াদি হতে দেওয়া যাবে না।


এই সমস্যা থেকে আরাম পেতে সেই সঙ্গে নাকে বাষ্পের ভাপ নিতে পারেন, পরিমিত বিশ্রাম নিন।


ওষুধের মাধ্যমে ভালো না হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে পরবর্তী চিকিৎসা নিন। আমাদের এই পরামর্শটি ভালো লাগলে আমাদের পাশেই থাকুনঃ



নাকের ৪ সমস্যা কিকি তা আজকে জানবোঃ



নাকের এ্যালার্জিঃ


এটি এ্যালার্জিজনিত নাকের প্রদাহ। ধূলোবালি, ঠাণ্ডা-গরমসহ বিভিন্ন ধরনের এ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদান এর কারণ।


রোগটি স্থায়ীভাবে নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ওষুধের ব্যবহার ও এ্যালার্জি উদ্রেককারী বস্তুসমূহ এড়িয়ে চলার মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা যায়।


নাক দিয়ে রক্তপড়াঃ


নাকদিয়ে রক্ত পড়ার অনেক কারণ আছে। ছোটদের ক্ষেত্রে সাধারণত নাক খোঁটার কারণে নাকে ক্ষত হয়ে রক্তপাত হয় বড়দের ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণে নাক দিয়ে রক্ত ঝরে। এছাড়া নাকের পিছনের দিকের অংশে রক্তনালী সংশ্লিষ্ট টিউমার, রাইনাস্পোরিওডিওসিস ইত্যাাদি কারণেও নাক দিয়ে রক্ত পড়ে থাকে।


নাকের পলিপঃ








কেন হয় নাকের পরিপের সংজ্ঞা দিলামঃ   

*বাহিরের থেকে শক্তকিছু আটকে যাওয়া বা ঢোকা।  

*সেপ্টামে ফোড়া(Septum Abcess) হলে।

*টিউমার জনিত কারণে।     

*খুবিই সর্দি জনিত কারণে ।   

*সাইনুসাইটিস।  

*আঘাত জনিত কারণে।·      

*নাকের মাংস বৃদ্ধিতে।


 নাকের পলিপাসের লক্ষণ

সমূহ:

     নাক বন্ধ থাকে· বিশেষ করে রাতে শোবারসময়।নাকের উপরি ভাগে লালচেরং হয়।নাক ভারি ভারি বোধ হওয়া ।নাকের ভিতরে শির শিরবোধ হয়।


সাধারণত দীর্ঘদিন নাকে এ্যালার্জি থাকলে এমনটি হয়ে থাকে। নাকের মধ্যে মিউকাস ঝিল্লিগুলো ফুলে আঙ্গুরের দানার মতো বিভিন্ন আয়তনের হয়ে থাকে।নাকের পলিপে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে সাইনাসের ইনফেকশন হয়ে মাথাব্যথা হতে পারে। এই সমস্যার জন্য অপারেশন করার দরকার পড়ে।


সনাতন পদ্ধতির অপারেশনে আবার পলিপ দেখা দেয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সার্জারির মাধ্যমে রোগটি নিরাময়ে প্রভূত সাফল্য এসেছে। প্রাথমিক অবস্থায় স্টেরয়েড সেপ্র ব্যবহার করে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।


সাইনাসের ইনফেকশনঃ


সাধারণত নাকে এ্যালার্জি ও পলিপ, নাকের হাড় বাঁকা ইত্যাদি কারণে নাকের দুই পাশের ম্যাক্সিলারি সাইনাসে ইনফেকশন দেখা দেয়।এক্ষেত্রে মাথাব্যথাই মূল উপসর্গ। সাইনাসের একটি এক্সরে করলেই রোগ সম্পর্কে অনেক ধারনা পাওয়া যায়। প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধ ব্যবহার, পরবর্তীতে সাইনাস ওয়াশ এবং শেষ পর্যায়ে এন্ডোস্কোপিক সাইনাস সার্জারি করে রোগটি সারানো যায়।


আরো পড়ুনঃ মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার ২০টি কার্যকরী উপায “


শীতে নাকের সমস্যা করনী কি ঃ

 

আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলে সবকিছু বুঝতে পারবেনঃ

নাকের অ্যালার্জিঃ


এটি অ্যালার্জিজনিত নাকের প্রদাহ। ধুলাবালি, ঠান্ডা-গরমসহ বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদান এর কারণ।


রোগটি স্থায়ীভাবে নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ওষুধের ব্যবহার ও ঠান্ডা-অ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদান এড়িয়ে চলার মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা যায়।



নাক দিয়ে রক্ত পড়াঃ


নাক দিয়ে রক্ত পড়ার অনেক কারণ আছে। ছোটদের ক্ষেত্রে সাধারণত নাক খোঁটার কারণে নাকে ক্ষত হয়ে রক্তপাত হয়।


বড়দের ক্ষেত্রে উচ্চরক্তচাপের কারণে নাক দিয়ে রক্ত ঝরে। শীতে নাকের ভেতরটা শুকিয়ে চামড়া উঠে যায় এবং তখন নাকের ঝিল্লি ছিঁড়ে গিয়ে নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।


নাকের পলিপঃ


সাধারণত দীর্ঘদিন নাকে অ্যালার্জি থাকলে এমনটি হয়ে থাকে। নাকের মধ্যে মিউকাস ঝিল্লিগুলো ফুলে আঙুরের দানার মতো বিভিন্ন আয়তনের হয়ে থাকে। নাকের পলিপে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে সাইনাসের ইনফেকশন হয়ে মাথাব্যথা হতে পারে।


এই সমস্যার জন্য অপারেশন করার দরকার পড়ে। সনাতন পদ্ধতির অপারেশনে আবার পলিপ দেখা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সার্জারির মাধ্যমে রোগটি নিরাময়ে প্রভূত সাফল্য এসেছে। প্রাথমিক অবস্থায় স্টেরয়েড স্প্রে ব্যবহার করে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শীতে এ ধরনের সমস্যা একটু বেড়ে যায়।


সাইনাসের ইনফেকশনঃ


সাধারণত নাকে অ্যালার্জি ও পলিপ, নাকের হাড় বাঁকা ইত্যাদি কারণে নাকের দুই পাশের ম্যাক্সিলারি সাইনাসে ইনফেকশন দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে মাথাব্যথাই মূল উপসর্গ। সাইনাসের একটি এক্সরে করলেই রোগ সম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়া যায়।


প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধ ব্যবহার, পরবর্তী সময়ে সাইনাস ওয়াশ এবং শেষ পর্যায়ে এন্ডোস্কোপিক সাইনাস সার্জারি করে রোগটি সারানো যায়। শীতে বারবার নাকের মধ্যে প্রদাহ হয়, নাক বন্ধ থাকে বলে সাইনাসের ইনফেকশন সহজেই হতে পারে।




কিভাবে নাকের যত্ন নিবেন তা দেখে নিনঃ



নাকের যত্নঃ

আমরা জানি বিশেষ করে নাকবাহু বা মুখ বাহু এ দুটো জিনিস দিয়ে আমাদের শ্বাস পসাস নিতে হয়। তাই আমাদের নাককে সবসময় যত্ন নিতে হবে। যাতে কোন ঠান্ডা না লাগতে পারে. নাকে যত্ন নেওয়া অনেক দিক আছে। তা আজকে আমরা এ আর্টিকেলে পরবো,


চুল, হাত, পা, ত্বক এ সব কিছুর যত্নের ব্যাপারেই আজকালকার মেয়েরা অনেক সচেতন কিন্তু সৌন্দর্যের অন্যতম অঙ্গ নাকের প্রতি আমাদের উদাসীনতা প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়।


চুল, চোখ, ঠোঁট, হাত, পা’র যত্নের পাশাপাশি নাকেরও সমান যত্ন প্রয়োজন। এবারের রূপচর্চার আয়োজনে তুলনামূলক অবহেলিত এ ত্বকটির যত্ন-আত্তি জানিয়ে দিচ্ছি আপনাদের।


* নাকে ব্ল্যাক বা হোয়াইট হেডস থেকে থাকলে ১০০ গ্রাম গোলাপ জলে ১চা চামচ কর্পূর মিশিয়ে রেখে দিন। দিনে ২/৩ বার তুলোয় এ গোলাপ জলের মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার করুন দেখবেন ব্ল্যাক ও হোয়াইট হ্যাডস থেকে মুক্তি পেয়ে গেছেন।


*নাকের দু’পাশে অনেক সময়ই কালচে ছোপ দেখা যায়, এর থেকে মুক্তি পেতে ১ চামচ মুলতানি মাটি, ৪/৫টা লবঙ্গ গুঁড়ো গোলাপ জলে গুলে নাকের উপর লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া নাকের উপর থেকে কালচে ছোপ দূর করতে টক দই, মধু ও ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন।


* ব্ল্যাক হেডস থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মসুর ডাল ও আতপ চাল নারকেলের পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিবেন। তার সঙ্গে কমলার খোসা বাটা ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নাকে লাগিয়ে রাখুন। দশ মিনিট পর দুধ দিয়ে নরম করে বৃত্তাকারে ম্যাসেজ করে প্যাক ধুয়ে ফেলুন।



আরো পড়ুনঃ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স বিনামূল্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শিক্ষা


* ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে নাকের উপরে এবং দু’পাশে আলগা মরা চামড়া দেখা যায়। কমলার খোসা গুড়া, আমন্ড পাউডার ও ভুসি দুধের সঙ্গে মিলিয়ে ভেজা ত্বকে লাগিয়ে আলতোভাবে মরা চামড়ার উপর লাগান।


* নাকের পাশে বা ত্বকের যে কোনো জায়গায় হোয়াইট হেডস হলে সেটা কখনই চাপ দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন না। আতপ চালের গুঁড়োর সঙ্গে মসুর ডাল বাটা লাগালে এর থেকে মুক্তি পাবেন।


* নাকের চারপাশের ত্বক খুব বেশি শুষ্ক হয়ে গেলে রোজ নারকেল তেল ও আমন্ড অয়েল এক সঙ্গে মিশিয়ে দিনে ২/৩ বার ম্যাসেজ করলে শুষ্কতা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।


* ব্ল্যাক হেডস হওয়ার আগেই-যদি একটু সচেতন থাকা যায় তবে খুব সহজেই এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। এক্ষেত্রে নাকের উপর ও চারপাশ দুধ দিয়ে পরিষ্কার করে ক্লিনজিং মাস্ক লাগাতে হবে। দই, ডিম, মধু ও সামান্য পরিমাণ হলুদ এক সঙ্গে মিশিয়ে নাকের উপর লাগিয়ে রাখুন ও মিনিট দশেক পর ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে সব সময় নাকের উপর ও দু’পাশ পরিষ্কার থাকবে। সহজে কোনো ছোপ বা ব্ল্যাক হেডস হবে না।


* অনেক সময় নাকের পাশের লোমকূপের মুখ বড় হয়ে যায়। ১ চামচ ওটমিল পাউডারের সঙ্গে আধা চামচ পাতিলেবুর রস সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে লাগান। মিনিট কুড়ি পরে ধুয়ে ফেলুন।


* নাকের ত্বক মসৃণ করতে ১ চামচ মধু, ১০-১২ ফোঁটা লেবুর রস, ২ চামচ গাজরের রস ও ১ চামচ বেসন এক সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।


* নাক ফোটানোর পর একটু এক্সট্রা কেয়ার নেয়া দরকার। যেমন- মারজিকাল স্পিরিট কিংবা অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড দিয়ে দিনে দু’বার জায়গাটা আলতো করে পরিষ্কার করবেন। হলুদ ও নিমপাতা বেটে তার রস তুলোয় করে লাগালেও উপকার পাবেন। চেষ্টা করবেন নাক ফোটানোর পর সাবান কিংবা শ্যাম্পু যতোটা সম্ভব না লাগাতে




শেষ কথাঃ

 প্রিয় পাঠক আজকে আমরা আর্টিকেল লিখেছি নাকবদ্ধ হওয়ার কারণ । কের সমস্যা সমস্যা সমস্যার সমাধান। যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে আমাদের অফসেটটি ভিজিট করুন। আর পাশে থাকুন ,ধন্যবাদ






Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url